ঢাকা সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

ইসলামী পর্যটনের জন্য রোডম্যাপ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশ প্রতিবেদন
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৯
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে 'ঢাকা দ্যা ওআইসি সিটি অব টুরিজম-২০১৯' শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফোকাস বাংলা

ইসলামী পর্যটনকে বিশ্ব বাণিজ্য ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ও রোডম্যাপ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত ‘ঢাকা দ্যা ওআইসি সিটি অব টুরিজম-২০১৯’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বার্ষিক ৮.৩ শতাংশ হারে বৃদ্ধিতে ২০২১ সালের মধ্যে ইসলামি পর্যটনের বাজার ২৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বৃদ্ধি পাবে। তাই ইসলামী পর্যটনকে বিশ্ব বাণিজ্য ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে এবং রোডম্যাপ প্রস্তুত করতে হবে।”

এসময় থমসন-রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বে মুসলিম পর্যটক ১৫৬ মিলিয়ন থেকে ১৮০ মিলিয়নে বৃদ্ধি পাবে। আর এ সময়ে বিশ্বে মোট জনসংখ্যার ২৬ শতাংশ হবে মুসলিম।

ওই প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা আরো বলেন, “সারাবিশ্বের মুসলিমরা ২০১৫ সালে ভ্রমণে (হজ ও ওমরাহ ব্যতীত) ১৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে। তার মধ্যে ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশের ১০৯ বিলিয়ন ডলার অবদান রয়েছে।

“পর্যটন একটি দ্রুত বর্ধনশীল খাত। সারা বিশ্বে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থানে এটি ব্যাপক ভূমিকা রেখে যাচ্ছে”, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, “আমাদের পর্যটন খাতের উন্নয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে (আমাদের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য)। এক্ষেত্রে ইসলামী পর্যট্ন সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো খাত, যেখানে একসাথে কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে।”

বাংলাদেশের পর্যটন খাত প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নদীমার্তৃক দেশ হিসেবে পানিপথের পর্যটনের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা নদীপথের পর্যটনকে আকর্ষনীয় করে উন্নত করতে পারি। বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের সাথে জলসীমানা থাকায় পানিপথে উন্নয়নের পর্যটন বিকাশের সুযোগও রয়েছে। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং বেশকিছু পদক্ষেপও নেয়া হয়েছে।”

কক্সবাজারের সৈকত সংলগ্ন বিশ্বের দীর্ঘতম ১২৭ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যদি ওআইসি ভুক্ত দেশগুলো চায়, আমরা এ দেশগুলোর জন্য বিচের নির্দিষ্ট কোনো স্থানও তৈরি করে দিতে পারি।”

“কক্সবাজারের পর্যটনকে আকর্ষিত সরকার সেখানে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও তৈরি করছে”, যোগ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, ওআইসির সহকারী মহসচিব মুসা কুলাক্লিকায়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: