ঢাকা রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

বিজয় র‍্যালি ঘিরে ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ দু’পক্ষের সংঘর্ষ

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
সংঘর্ষের সময় পোষ্ট অফিস মোড় এলাকা থেকে তোলা ছবি।

ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৯ জন আহত হয়েছে।

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মধ্য অরণকোলা, পোষ্ট অফিস মোড় ও আকবরের মোড়ে সংঘর্ষ শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

জানা গেছে, ঈশ্বরদীতে দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছে। এক গ্রুপ সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শরীফ ডিলু এমপি সমর্থিত, অপর গ্রুপ ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টু সমর্থিত। বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার পৌরসভা চত্বর থেকে আনন্দ র‌্যালি করে কাউন্সিলর, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ মেয়র সমর্থিত গ্রুপ। এ সময় ডিলু গ্রুপের পক্ষে তাঁর ছেলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরিফ তমালের নেতৃত্বে যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা র‌্যালি বের করে। দুই গ্রুপ মুখোমুখি হলে প্রথমে কথা কাটাকটি পরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে আশপাশের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে।

আহত হলেন- পৌর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেব হোসেন ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি যুবায়ের বিশ্বাস, বাবা মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান। এর মধ্যে সাঈদকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংঘর্ষের ব্যাপারে ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ মিন্টু বলেন, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালি বের করছিলাম। এ সময় প্রতিপক্ষ গ্রুপ আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এ বিষয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরিফ তমাল বলেন, পুলিশ নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে দুই দফা লাঠিচার্জ করেছে। এতে রাজু, চমন ও শাহিনসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মিন্টু গ্রুপের লোকজন পৌর ছাত্রলীগের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেনকে কুপিয়ে জখম করেছে। তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারুকী বলেন, আমরা দুই গ্রুপকে বলেছিলাম আলাদাভাবে রাস্তায় গিয়ে ও আলাদা সময়ে র‍্যালী করেন। কিন্তু তারা একই স্থানে মিছিল করতে গিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে। শহরের পোষ্ট অফিস মোড় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666