ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে সংসদীয় কমিটির সন্তোষ প্রকাশ

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে সংসদীয় কমিটির সন্তোষ প্রকাশ।

ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে এসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

প্রতিনিধিদলটি শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঈশ্বরদীর পাকশীতে আসে। এরপর শনিবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রূপপুর প্রকল্পের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে এর অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রকল্প পরিদর্শন করেছে, সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য শফিকুল আজম খাঁন, মোজাফফর হোসেন, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি শিরীন আহমেদ ও হাবিবা রহমান খান শেফালী।

এসময় তাঁদের সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ইতি রানী পোদ্দার, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহাবুবুল হক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর, নিউক্লিয়ার পাওয়ার গ্রীড কোম্পানীর উপদেষ্টা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম, প্রকল্পের মূখ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা অলোক কুমার চক্রবর্তী ও প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস।

পরিদর্শনকালে রূপপুর এনপিপি নির্মাণ প্রকল্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট সের্গেই লাসতোচকিন প্রকল্পের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন।

পরিদর্শন শেষে ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটির কাজ সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলেছে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বর্তমান সরকারের একটি মাস্টারপ্ল্যান রয়েছে, এই প্ল্যানের অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহের অন্তত ১০ শতাংশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। এ প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে সেই লক্ষ্য অর্জনের অনেকটাই সম্পন্ন হবে। সবচেয়ে বড় কথা, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং তাদেরই পরামর্শ অনুযায়ী চলছে কাজ। সুতরাং এই প্রকল্প নিয়ে ঝুঁকির প্রশ্ন তোলা অবান্তর।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, যে কোনো দেশের জন্যই বিদ্যুৎ এক বড় প্রয়োজন। বস্তুত বিদ্যুৎ ছাড়া শিল্পের বিকাশ দূরের কথা, স্বাভাবিক জীবনযাপন করাও অসম্ভব। একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য বিদ্যুৎ আরও বেশি প্রয়োজন। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার যে স্বপ্ন দেখছি আমরা, সেই স্বপ্ন পূরণে বিদ্যুতের রয়েছে এক বড় ভূমিকা। প্রকল্পটি যথাসময়ে শেষ হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।

প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শেষে ক্রমেই এগিয়ে চলেছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল নির্মাণ কাজ। আমরা সঠিক লাইনে রয়েছি। কোনোদিক থেকেই পিছিয়ে নেই। রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখন স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। এখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। সব কিছুই ঠিক ঠাক রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রকল্পের পারমাণবিক চুল্লি বসানোর কাজের প্রস্তুতি ও অগ্রগতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666