ঢাকা বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন

রূপপুরে ২ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

রিয়াদ ইসলাম
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৯
বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে সড়কের ওপর গড়ে ওঠা দোকানপাট।

ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নে রূপপুর পাকারমোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

পাকশী রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের প্রয়োজনে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে এ অভিযান পরিচালনা করে পাকশী বিভাগীয় রেল ও পাবনা জেলা প্রশাসন।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় দপ্তরের প্রকৌশলী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বায়েজিদ বিন আকন্দ এবং পাবনা জেলা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের প্রকৌশলী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

এ সময় বায়েজিত বিন আকন্দ বলেন, ‘রূপপুর মোড়ের দোকান মালিকদের মধ্যে কেউ কেউ রেলওয়ে থেকে বার্ষিক লিজ নিয়ে আবার কেউ কেউ অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে ভাড়া দিয়েছিলেন। পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয়তায় তালিকা তৈরি করে দোকানি এবং দখলদারদের কাছে চিঠি দেয়া হয়। তাঁদের লিজ বাতিল করা হয়। অভিযান শুরুর আগে লাল চিহ্ন দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর বেশ কিছুদিন ধরে মাইকিং করা হয়।’

সরেজমিনে দেখা গেছে, রূপপুর পাকারমোড় সড়কের পাশে রেলওয়ের জমিতে পাকা, আধা পাকা ও টংঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছিল উচ্চবিত্ত ও নিম্ন আয়ের লোকজন। একটি বুলডোজার দিয়ে একের পর এক স্থাপনা ভাঙা হচ্ছিল। উচ্ছেদ শুরু হওয়ার পর দৌড়াদৌড়ি করে ব্যবসায়ীরা দোকানের আসবাব বের করতে তৎপর হন। কেউ টেবিল নিয়ে, কেউ টেলিভিশন, কেউবা তাক নিয়ে বের হন।

রূপপুর মোড়ের উচ্ছেদ হওয়া একাধিক ব্যবসায়ী ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘হঠাৎ এ ধরনের অভিযানে আমরা বিপদে পড়েছি। মালামাল সরাতে হিমশিম খাচ্ছি। যারা জোর করে ভাড়া নিত তারা তো এখন আমার পাশে নাই।’

এ সময় ঈশ্বরদী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ মহল, সওজ পাবনার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ ও শহিদুল ইসলাম শহীদসহ থানার বিপুলসংখ্যক পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানের আগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারুকী এসে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে সাক্ষাত করে তাকে সহযোগিতা করেন।

মমতাজ মহল জানান, ‘উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে কোথাও কোনো বাধার মুখে পড়তে হয়নি। উচ্ছেদ অভিযানের দ্বিতীয় পর্বে  উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট গ্রিন সিটির সামনে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: