ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১০:২৫ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদীতে বেশীদামে সিগারেট বিক্রির অপরাধে আটক বিক্রেতা মুচলেকায় মুক্ত

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৯
পুলিশ হেফাজতে সোহেল। শুক্রবার, ১৯ জুলাই।

ঈশ্বরদীতে ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো কোম্পানীর ডারবি ও স্টার সিগারেট বেশি দামে বিক্রির অপরাধে সোহেল নামের এক বিক্রেতাকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুরে। আটক বিক্রেতা উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট মোড় এলাকার জননী স্টোরের স্বত্তাধিকারী।

ওই দোকানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ডারবি সিগারেটের নির্ধারিত মুল্য প্রতি শলাকা ৪ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা ও স্টার সিগারেট প্রতি শলাকা ৬ টাকার পরিবর্তে ৭ টাকায় বিক্রি করছিলেন।

‘তবে স্থানীয় ব্যবসায়ি কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দের অনুরোধ এবং আটক বিক্রেতা সোহেল ভবিষ্যতে আর এই ধরনের অন্যায় বা অপরাধ করবেন না মুচলেকা আদায় করে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।’ বলেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারুকী।

এ অভিযানের দায়িত্ব পালনকারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন জানান, ‘সিগারেট ভোক্তাদের অভিযোগ এবং বেশি দামে সিগারেট বিক্রির সত্যতা নিশ্চিত হয়ে সোহেলকে দোকান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল’।

ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকোর ঈশ্বরদীর পরিবেশক (ডিলার) আব্দুল মান্নান টিপু বলেন, ‘বাজেট ঘোষণার পর নিজে থেকেই দাম বাড়িয়ে বেশি দামে সিগারেট বিক্রি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। সরকার ও কোম্পানির নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি দামে সিগারেট বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি মাধ্যেমে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।  ভোক্তা যেন সঠিক মূল্য দিয়ে আমাদের সিগারেট কিনতে পারেন সেদিকে যেমন আমাদের দৃষ্টি রয়েছে তেমনি দোকানীরা যেন সঠিক মুনাফা রেখে সিগারেট বিক্রি করে সে ব্যাপারেও বৃটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো কোম্পানীর পক্ষ থেকে আমরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছি।’

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন নিয়ে কথা হয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ মহলের সাথে। তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন করা হয়েছিল। ভোক্তা হিসেবে কারও কোনো অভিযোগ থাকলে এ আইনের বলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নামে একটি সরকারি দপ্তরে গিয়ে অভিযোগ করা যায়। ওই দপ্তর অভিযোগ তদন্ত করে। প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে আছে জরিমানা বা কারাদণ্ডের বিধান। এক বছর থেকে তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শাস্তি রাখা আছে বিধানে। এর বিকল্প হিসেবে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা যায়। দণ্ডিত ব্যক্তি আবার একই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ পরিমাণের দ্বিগুণ দণ্ডের বিধান আছে।’

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666