ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনার ট্রেনে হামলা সাজাপ্রাপ্ত ৮ জনের আত্মসমর্পণ ; জেলহাজতে প্রেরণ

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০১৯
শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা মামলার রায়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক ১ আসামী আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা মামলার রায়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আরও আট আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়। রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন আসামিরা। আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রুস্তম আলী জামিন নামঞ্জুর করে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে পাঁচজন যাবজ্জীবন ও তিনজন ১০ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত। এ নিয়ে ৫২ আসামির মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত মোট ৪০ জনকে জেলহাজতে পাঠানো হলো। এখনো পলাতক সাতজন। বিভিন্ন সময় মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পশ্চিম টেংরী পিয়ারাখালী গ্রামের আমিরুল ইসলাম, পশ্চিম টেংরী ব্লাকপাড়া মহল্লার মো. রবি, আজাদ হোসেন, মো. মামুন ও যুক্তিতলা মহল্লার আবুল কালাম। এঁদের মধ্যে আজাদ হোসেন অন্য একটি মামলায় আগে থেকেই জেলহাজতে রয়েছেন।

১০ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন উপজেলার চরমিরকামারী গ্রামের চাঁদ আলী, পশ্চিম টেংরী বাবুপাড়া মহল্লার মো. রনো, চরসাহাপুর গ্রামের হুমায়ুন কবির ওরফে দুলাল সরদার।

আত্মসমর্পণের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আখতারুজ্জামান মুক্তা বলেন, আত্মসমর্পণের পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত এক মাসের মধ্যে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মাসুদ খন্দকার বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতের আত্মসমর্পণ করেছেন। আসামিদের পক্ষে খুব শিগগির উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উত্তরাঞ্চলে দলীয় কর্মসূচিতে ট্রেনবহর নিয়ে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ট্রেনটি পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে প্রবেশের সময় ট্রেনবহরকে লক্ষ্য করে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা অতর্কিতে হামলা চালান। ১৯৯৭ সালের ৩ এপ্রিল পুলিশ ঈশ্বরদীর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ ৫২ জনের নামে আদালতে আবার অভিযোগপত্র জমা দেয়।

গত ১ জুলাই আদালতে আসামিদের সাফাই সাক্ষী উপস্থাপনের নির্ধারিত দিন ছিল। এ দিন ৩০ জন আসামি কোনো সাক্ষী উপস্থাপন না করে আদালতে জামিন আবেদন ও সময় প্রার্থনা করেন। আদালত তাঁদের প্রার্থনা নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর ৩ জুলাই আদালত মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনকে যাবজ্জীবন ও ১৩ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। এ নিয়ে ৪ জুলাই ‘প্রথম আলো’তে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: