ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন

ঈশ্বরদীর যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

বার্তাকক্ষ | ঈশ্বরদীনিউজটোয়েন্টিফোর.নেট
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০১৯

ঈশ্বরদী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোরশেদ আহম্মেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অফিস-উপস্থিতিতে অনিয়ম ও কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কর্মচারীরা পাবনা জেলা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপপরিচালক কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সরকারের গৃহীত কোনো প্রদক্ষেপ আলোর মুখ দেখছে না দীর্ঘদিন ধরে। একই কর্মস্থলে প্রায় ৯ বছরেরও অধিক সময় কাজ করার সুবাধে স্থানীয় মধ্যস্বত্বভোগীদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন যুব কর্মকর্তা মোরশেদ আহম্মেদ। এ সখ্যতাকে পুঁজি করে কিছুসংখ্যক যুব মহিলা ও যুবকদের মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়ে আর্থিক সুযোগ নিচ্ছেন তিনি। এছাড়াও উপজেলা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প কাজের দায়িত্ব পাওয়ার সুবাধে অর্থ বাণিজ্যেরও অভিযোগ রয়েছে এ যুব কর্মকর্তাকে ঘিরে। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোরশেদ আহম্মেদের এসব কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ প্রশিক্ষিত যুব সংগঠনের সদস্যরা।

অভিযোগ সুত্রে আরও জানা যায়, মোরশেদ আহম্মেদ বিনা ছুটিতে কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। কর্মচারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে চলেছেন নিত্যদিন।

অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সরজমিনে ঈশ্বরদী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ে গিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোরশেদ আহম্মেদ যোগদানের পর থেকে যুব উন্নয়নের অধীনে কর্মরত সব কর্মচারীর সাথে প্রায় দুর্ব্যবহার করে থাকেন। এমন কি তাঁর দুর্ব্যবহারের কারণে স্টাফেরা বরাবরই বিব্রত অবস্থায় পড়েন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্ত সফল আত্মকর্মী বলেন, ‘বর্তমান সরকার বেকার যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রদক্ষেপ হাতে নিলেও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোরশেদ আহম্মেদের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে থমকে আছে যুব কার্যক্রম। প্রশিক্ষিত যুব সংসদের (প্রযুস) পক্ষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছে। আমরা আশাবাদী এর প্রতিকার পাব।’

তৃতীয় শ্রেনী কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সদস্য আরিফুজ্জামান বলেন, ‘নয় বছর ধরে এক ব্যক্তি এক জায়গায় চাকরি করলে তো দুর্নীতিতে জড়াবেই। তাকে সরানো দরকার।’

মুঠোফোনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার মোরশেদ আহম্মেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

পাবনা জেলা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপপরিচালক শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘ঈশ্বরদী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিষয়ে আমার কাছে অভিযোগ আসছে। আমি তা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি।’

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: