ঢাকা শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদীতে মন্ত্রী এসেছিলেন তাই সব ঝকঝকে-উচ্ছেদ, যাওয়ার পর সব আগের মত

বার্তাকক্ষ | ঈশ্বরদীনিউজটোয়েন্টিফোর.নেট
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ জুন, ২০১৯
মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ঈশ্বরদীর সাঁড়াগোপালপুর থেকে রূপপুরের সড়কে রাখা নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয়

রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ঈশ্বরদীতে এসেছিলেন, চলেও গেছেন। মন্ত্রী ঈশ্বরদীতে আসার কারণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের নির্মানাধীন নতুন রেলপথে ধীর গতির কাজ পেল দ্রুত গতি।

আবার দেশের সবচেয়ে বড় জংশন স্টেশন ঈশ্বরদী’র প্লাটফরম, ইয়ার্ড, রেললাইনের আশেপাশে থাকা অবৈধ দোকানপাট এক রাতেই যেমন উচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল তেমনি মন্ত্রী চলে যাওয়ার পর এক রাতেই আবার সেসব দোকানপাট আগের স্থানে ফিরে এসেছে। মন্ত্রী নতুন রেলপথ পরিদর্শন করতে পারেন-এমন আভাসে ঈশ্বরদী রেলওয়ে গেট থেকে পাকশী পর্যন্ত নির্মাণাধীন নতুন রেলপথের নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত খোয়া, বালুর স্তুপ, পাথরসহ রাস্তার পাশে যত্রতত্র ফেলে রাখা নির্মাণ সামগ্রীর স্তুপ অপসারণ করে ঝকঝকে তকতকে করে ফেলা হলো। দু’চার দিন আগের চিত্র আর আজকের চিত্র দেখে বোঝারই উপায় নেই এত দ্রুত কোন উন্নয়ন কাজ হতে পারে।

এদিকে মন্ত্রী ঈশ্বরদী থেকে চলে যাওয়ার পরপরই ঈশ্বরদী’র প্লাটফরম, ইয়ার্ড, রেললাইনের আশেপাশে থাকা অবৈধ দোকানপাট আবারো বসানো হয়েছে। প্লাটফরমের ঝকঝকে অবস্থাও আবার মলিন হয়ে ফিরে এসেছে আগের স্থানে। স্টেশনে ময়লা আবর্জনার স্তুপ, এখানে সেখানে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিনসহ নানা আবর্জনা ইতস্তত: বিক্ষিপ্ত ভাবে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

এসব বিষয়ে নতুন রেলপথ নির্মাণকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ক্যাসেল কনস্ট্রাকশন লি. এর ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার (ডিপিএম) মো. সোলায়মান বলেন, ঈদের কারণে নতুন এই রেলপথের কাজে কিছুটা ধীর গতি হয়েছিল, তবে মন্ত্রী আসার কারণে দ্রুত কাজ করা হয়েছে। কাজে নতুন গতি এসেছে।

রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ (ডিইএন-২) আরিফুল ইসলাম জানান, জনদুর্ভোগের কথা মাথায় রেখেই নতুন এই রেলপথের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করতে ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশন থেকে পরিত্যক্ত পাইলট লাইন হয়ে ২২ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ কাজ দ্রুত এগুচ্ছে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় ২২ কিলোমিটার রেলপথ ছাড়াও সাড়ে চার কিলোমিটার লুপপথ নির্মাণ হবে, সাকুল্যে এতে ব্যায় নির্ধারিত হয়েছে ২৯৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) মিজানুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, মন্ত্রী আসার আগে রেলস্টেশনের আশেপাশের অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তবে বাস্তবতা হচ্ছে আমাদেরও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে ফলে দোকানপাটগুলো আবারো আগের স্থানে ফিরে এসেছে।

তিনি বলেন, জনসচেতনতা ছাড়া এ অবস্থার পরিবর্তন হওয়া মুশকিল।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: