ঢাকা শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম: ঈশ্বরদীতে বদলে গেছে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের প্রক্রিয়া

আশারাফুল ইসলাম সবুজ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ মে, ২০১৯
মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ব্যবহারে রাজশাহী বিভাগের মধ্যে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রথম নির্বাচিত হওয়ায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সেলিম আক্তারের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পাবনা জেলা শিক্ষা অফিসার এস. এম মোসলেম উদ্দিন।

শিক্ষার্থীদের মুখস্থবিদ্যার বাইরে নিয়ে আসতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস চালুর লক্ষ্যে বিভিন্ন সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে ঈশ্বরদী উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। গত ৩০ এপ্রিল মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ব্যবহারে রাজশাহী বিভাগের মধ্যে এ উপজেলা প্রথম নির্বাচিত হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা বলছে, পুরাতন পদ্ধতির থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠ্য বিষয় বুঝতে সহজ হয়। অবশ্য তবে নানা প্রতিকূলতায় রীতিমত ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান সম্ভব বলে দাবি শিক্ষকদের। এ অবস্থায় সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সেলিম আক্তার।

শ্রেণিকক্ষে ডিজিটালের প্রবর্তন বদলে দিয়েছে পাঠদানের পুরো প্রক্রিয়াকে। প্রজেক্টর,ল্যাপটপ,ইন্টারনেট ও সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে খুব সহজে পাঠ্য বিষয় সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছেন শিক্ষকেরা। বইয়ের লেখাটি কখনো স্থির চিত্র আবার কখনো ভিডিও আকারে প্রদর্শিত হচ্ছে শ্রেণিকক্ষে।

পরীক্ষায় পাস করার জন্য পাঠ্য বিষয় না বুঝে মুখস্থ করার প্রবণতা দূর করতে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল পদ্ধতি। উপজেলার অধিকাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দেয়া হয়েছে একটি করে এ সিস্টেম। প্রতিদিন প্রতিটি শ্রেণিতে একটি করে বিষয় এ পদ্ধতিতে ক্লাস নেয়ার বিধান রয়েছে, সকল বিদ্যালয়ে এটা মেনে চলছে।

শিক্ষার্থীদের কয়েকজন বলেন, ‘আমাদের এ ক্লাসগুলো খুব ভালো লাগে। প্রতিদিন যদি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্লাস হয়, তবে এটি আমাদের অনেক কাজে দেবে। ‘

অবশ্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক স্বল্পতা, মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং ও একটি বিদ্যালয়ে একটি মাত্র সিস্টেম থাকায় বার বার বিভিন্ন শ্রেণিতে স্থানান্তর সম্ভব হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে শিক্ষকরা বলেন, ‘এতে শিক্ষকদেরও পরিশ্রম কমেছে। শিক্ষার্থীরা ছবি ও ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে সহজেই পাঠ গ্রহণ করতে পারে। ‘

তবে ধাপে ধাপে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাসহ সব ধরনের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন ঈশ্বরদী আইসিটি ফোরামের সভাপতি ও দাদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবলুর রহমান।

উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদ্রাসার ৬৩টিতেই দেয়া হয়েছে একটি করে মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষক থাকলেও মাত্র ২ থেকে ৩ জন মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের ওপর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666