ঢাকা বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন

ঈশ্বরদীতে রমজান মাসেও লোডশেডিং

ঈশ্বরদীনিউজ২৪.নেট, প্রতিবেদন
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ মে, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদন: রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে। এই জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গত ১১ এপ্রিল রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম এ কথা বলেন। যা বাস্তবরূপ না পেয়ে কথায় সীমাবদ্ধ রয়েছে।

কিন্তু বাস্তবে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ঈশ্বরদী উপজেলার মানুষ। মানা হচ্ছে না প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টার দেওয়া প্রতিশ্রুতি। এমনকি ইফতার, তারাবি ও সেহরির সময়েও পাচ্ছেনা স্বাভাবিক বিদ্যুত। কোন কোন দিন ২৪ ঘন্টায় ১০ থেকে ১২ বারের অধিক হচ্ছে বৈদ্যুতিক লোডশেডিং। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উপজেলার দিয়ারবাঘইল, জিগাতলা, পাকশী ইউনিয়নের রূপপুর এবং লক্ষিকুন্ডা ইউনিয়নের কামালপুর এবং বিলকেদা বাসীকে।

স্থানীয়রা ১০ (মে) জনান,  এমনিতেই গ্রীষ্মকাল। তীব্র গরম তাঁর উপরে বিদ্যুতের লোডশেডিং। ফলে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। এখানে ১০ থেকে ১২ দফায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ রয়েছে অহরহ। চলমান গ্রীষ্মকাল ও পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যুৎ বিঘ্ন্নতায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

বৈদ্যুতিক লোডশেডিং এর শিকার মুসল্লিরা রমজান মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়ে বলেন, রমজানের শুরু থেকেই বেড়ে গেছে লোডশেডিং। হাজার হাজার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহককে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের শিক্ষক কামাল হাসান বলেন, রমজান মাসে বৈদ্যুতিক লোডশেডিং এর ফলে যেমনি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন মুসল্লিরা, তেমনি লেখা পড়ায় বিঘ্ন ঘটছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের। অপরদিকে, এই প্রচন্ড তাপদাহ গরমের দিনে সারাদিন রোজা রাখার পর তারাবির নামাজের সময় বিদ্যুৎ না থাকায় চরম কষ্ট পোহাতে হচ্ছে । সে সাথে সাহরি খেতে হচ্ছে অন্ধকারে।

উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের দিয়ারবাঘইল এলাকার শিক্ষার্থী লাবনী খাতুন বলেন, রমজান মাসের শুরু থেকেই ভ্যাপসা গরমে মানুষের জীবন যখন ওষ্ঠাগত ঠিক সে সময়ে বিদ্যুতের সীমাহীন লোডশেডিং রোজাদারদের বেহাল অবস্থায় ফেলেছে। দুই দিন সেহরীর সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে সেহরী খেতে হয়েছে। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে উপজেলায় ভ্যাপসা গরম চরম আকার ধারণ করেছে।

লোডশেডিংয়ের বিষয়ে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পাপবিস)-১ এর দাশুড়িয়া জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মেজবাউল হক বলেন, তীব্র এই গরমের কারণেই লোডশেডিং সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আমরাও চেষ্টা করে যচ্ছি সাহরি, ইফতার ও তারাবির সময় সকল লাইন চালু রাখতে। কিন্তু অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে পেরে উঠছি না। আবার অনেক সময় লাইনের ত্রুটির করণেই ঘন ঘন লোড়শেডিং হচ্ছে। তবে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: