ঢাকা শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৮:২৯ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদীতে থামানো যাচ্ছে না কিশোর-কিশোরীদের আড্ডাবাজি

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০
খোলামেলা ঘুরে বেড়াচ্ছে কিশোরী। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ঈশ্বরদী হাসপাতাল রোড এলাকা থেকে তোলা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য সরকার নানা ব্যবস্থা নিলেও মহল্লায় মহল্লায় উঠতি বয়সী কিশোর-কিশোরীদের আড্ডা থামানো যাচ্ছে না। নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সব বন্ধ থাকলেও অযথা ঘোরাঘুরি করছেন এই কিশোর-কিশোরী। ক’জন জটলা পাকিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন তো, কেউ আবার মোটরবাইকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন, তা-ও হেলমেট বা কোনো ধরনের সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই। তাদের পাশাপাশি ব্যাটারী চালিত রিকশার দাপটও লক্ষ্য করা যাচ্ছে ঈশ্বরদীর পাড়া-মহল্লায়।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, তরুণদের এভাবে আড্ডাবাজি থামানো না গেলে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। পাশাপাশি এই রিকশাচালকদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে। যদিও রিকশাচালকদের অনেকে বলছেন, তারা পেটের তাগিদেই এই দুর্যোগেও রাস্তায় বেরিয়েছেন।

ঈশ্বরদী শহরের হাসপাতাল রোড, সরকারি সাঁড়া মাড়োয়ারী মডেল স্কুল এন্ড কলজে মাঠ, সরকারি কলেজ মাঠ এবং পাকশী আমতলা এলাকার কয়েকটি মহল্লা ঘুরে দেখা গেছে, এসব এলাকার অলি-গলিতে উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণরা ঘোরাঘুরি করছেন। কেউ কেউ জটলা পাকিয়ে আড্ডাও দিচ্ছেন। এসব এলাকা সংলগ্ন মূল সড়কে পুলিশ টহল থাকলেও মহল্লাগুলোতে এমন তৎপরতা চোখে পড়েনি। এই সুযোগেই আড্ডা দিয়ে বেড়াচ্ছেন করোনাভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপারে অসচেতন কিশোর-তরুণরা।

বাজারের মাহবুব আহমেদ খান উন্মুক্ত স্মৃতি মঞ্চে দুইজন বন্ধু নিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন আলম হোসেম। তিনি বলেন, বাসায় বন্দী থাকতে তাদের লাগছে না। তাই বাইরে বের হয়েছি।

অন্য দিকে শহরের বিভিন্ন সড়কে অবাধে চলাচল করছে রিকশা। ঈশ্বরদী বাজারের রিকশাচালক জিয়াউদ্দিন বলেন, ১০ দিন আমরা কাজ না করে কীভাবে চলব? সরকারি সাহায্য কোনোদিনই আমাদের কাছে আসেনি, আসবেও না। তাই পেটের তাগিদে রিকশা বের করেছি।

এভাবে অবাধে রিকশা চলাচল নিয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শফিকুল ইসলাম শামীম বলেন, পরিবেশগত কারণে এসব রিকশাচালক মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তবে তাদের রুটি-রুজির বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে। সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে। যাতে তারা একটা প্রণোদনা পায়।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: