ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ঈশ্বরদীতে ব্যাপক প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২০
করোনা ভাইরাসের প্রতিকি ছবি।

দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ায় ঈশ্বরদী উপজেলার মানুষের নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আক্রান্তদের জন্য সেবাকেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

মানুষ এখন জ্বর বা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে যাচ্ছেন। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালের রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তবে করোনাভাইরাস আক্রান্তের খবর নেই। এদিকে করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে বিদেশফেরত দুই ব্যক্তিকে ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’রাখা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে সম্ভাব্য সব পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক বৈঠক হয়েছে। সরাসরি চিকিৎসায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্সদের জন্যও নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম শামিম বলেন, সেবাকেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি রাখা হয়েছে অতিরিক্ত চিকিৎসক ও নার্স। তাদের নিরাপত্তায় বিশেষ পোশাক সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তাদের সভা হয়েছে। সেখান থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়- সেই অনুযায়ী তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। যদি সংক্রমিত হয় এবং তা ছড়িয়ে পড়ে, তবে কোনো ফাঁকা স্থানে স্কুল বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে সেবাকেন্দ্র বানিয়ে নেওয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসমা খান জানান, করোনাভাইরাসের কোনো ওষুধ নেই। সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। যারা বিদেশ থেকে আসছেন, তাদের অন্তত ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন থাকতে হবে। সরাসরি তিনি যেন পরিবারের সঙ্গে না মেশেন, সেই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। বিদেশ থেকে যারা আসবেন, তাদের পরীক্ষা করা হবে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারকী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের নির্মাণকাজসহ বিভিন্ন কারণে ঈশ্বরদীতে বিদেশিদের আনাগোনা রয়েছে। অনেক প্রবাসীও বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরছেন। ফলে তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখতে একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিহাব রায়হান বলেন, সতর্কতার ও সকল প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্যে জেলা একটি পৃথক কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসার জন্যে প্রয়োজনীয় যাবতীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছে। ডাক্তার, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবীরাও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছেন।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: