ঢাকা শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন

দুই মাসের মাদক বিরোধী যুদ্ধে সফল ঈশ্বরদী থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২০
ঈশ্বরদীর ম্যাপ।

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে শতাধিক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, চোলাই ও বিদেশি মদ, গাঁজাসহ বেশ কিছু মাদকদ্রব্য।

সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের মন্তব্য, এ অভিযানে ব্যাপক সফলতা পাওয়া গেছে। উপজেলার অন্যতম মাদকের স্পট ফতেমোহাম্মদপুর ও পশ্চিম টেংরি রেললাইন বস্তিতে প্রকাশ্যে মাদকদ্রব্য বেচাকেনা বা ব্যবসায়ীদের আনাগোনো বন্ধ হয়েছে।

পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, এ বছরের জানুয়ারি ও ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে ঈশ্বরদী থানায় ১০২টি মাদক মামলা হয়েছে। গ্রেফতার ১১৭ জন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারুকী বলেন, মাদক বিরোধী অভিযানে কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে প্রকাশ্যে আর মাদকদ্রব্য বিক্রি হচ্ছে না। পুরনো সব স্পটও বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ অভিযানের কারণে এখন আর প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হচ্ছে না। সীমিত আকারে যা হচ্ছে তাও নির্মুল করে দেওয়া হবে। তবে এক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির বলেন, বিশেষ অভিযানের কারণে কুষ্টিয়া সীমান্তের চিলমারী জলঙ্গি বর্ডার হয়ে পদ্মা নদী এলাকার সাঁড়া ইউনিয়নে ফেন্সিডিল প্রবেশ এক প্রকার বন্ধ হয়ে গেছে। আমাদের এ অভিযানের কারণে মাদক বিক্রেতারা নানা কৌশল নিয়েছে। তবে তারা আগের মতো আর জমজমাট ব্যবসা করতে পারছে না।

তিরি আরও বলেন, মাদক একটি ভয়ংকর নেশা। যিনি একবার এ সর্বনাশা নেশায় আসক্ত হন তিনি আর বের হতে পারেন না। ভবিষ্যত প্রজন্ম যাতে মাদক ও জঙ্গিবাদে না জড়ায় সেটি নিয়ে কাজ করছি।

ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হামিদুর রহমান বলেছেন, এদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করলে সমাজে অপরাধের মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করার আশংকা রয়েছে। আর অভিযানের সুফল পেতে হলে স্বচ্ছতা আনতে হবে। সাধারণ মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে এ অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: