ঢাকা বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদী বাজারে দেখানো হতো জ্যান্ত মুরগি, বিক্রি হতো মরা

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
ঈশ্বরদীর ম্যাপ

আমাদের নিত্যদিনের খাবার তালিকায় যেসব খাদ্য রয়েছে তার মধ্যে মুরগির মাংস অন্যতম। বিয়েসহ অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান, রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড- প্রায় সব ক্ষেত্রেই মুরগির মাংসের প্রয়োজন হয়। কিন্তু সেই মাংস যদি হয় মরা মুরগির তাহলে তা কে খাবে!

তবে, সবার অগোচরে ঈশ্বরদী বাজারে সাধারণ ক্রেতা, বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, ফাস্টফুড, হোটেল ও ভ্রাম্যমাণ দোকানে মরা মুরগি মাংস বিক্রি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঈশ্বরদী শহরের মুরগি বাজারে থেকে ময়লার স্তুপে মৃত মুরগির চামড়া ছাড়ানোর সময় এ ধরনের মাংস কেনা-বেচা সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত দোকানী আব্দুল কাদের লাড্ডুকে আটক করে স্থানীয় লোকজন। পরবর্তীতে খবর পেয়ে আমবাগান ফাঁড়ি পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার জনৈক এক ব্যবসায়ী লাড্ডুর কাছ থেকে তিনটি মুরগি কেনেন। তাঁর সামনেই মুরগি গুলো জবাই করা হলেও কৌশলে সবগুলো মরা মুরগি দেওয়ার সময় দেখে ফেলেন সে। এসময় তিনি নিষেধ করলে উল্টো তাঁকে বলেন, সমস্যা নেই ওই মুরগীর চেয়ে এগুলো ওজনে বেশি, তখন তিনি মোবাইলে ছবি তুললে লাড্ডুর কর্মচারী বলেন ছবি তুলে কি হবে আমরা এমন আরোও অনেকেই দেয়।

এ সময় জিজ্ঞেসাবাদে আব্দুল কাদের লাড্ডু জানান, এবিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে এ বাজারে ৭-৮ জনের একটি সিন্ডিকেট কাজ করে। তারা প্রায় প্রতিদিনই এখানে মরা মুরগি নিয়ে আসেন এবং বিভিন্ন খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্টে স্বল্প দামে বিক্রি করেন। তাঁর দোকানে মৃত মুরগি বিক্রি হয় না, তিনি ৪০ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করছেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারুকী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশ সদস্যরা। পরে প্রমাণ পাওয়া যায়, মরা মুরগির মাংস বিক্রি করত ওই দোকানী।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
%d bloggers like this: