ঢাকা বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

বাজারে ঈশ্বরদীর টসটসে লিচু

ঈশ্বরদীনিউজ২৪.নেট, প্রতিবেদন
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ মে, ২০১৯
ফলের দোকানগুলোতে আসা টসটসে লিচু কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। ফাইল ছবি

 

নিজস্ব প্রতিবেদন: গ্রীষ্মের রসালো মিষ্টি ফল লিচু বাজারে উঠতে শুরু করেছে। সদ্য বাজারে ওঠা এই ফল কিনতে মানুষ ভিড় করছে ঈশ্বরদীর ফলের দোকানগুলোতে। রোজার মাস, তার ওপর গরম; এমন সময়ে লিচুর কদরও রয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় এবং দাম ভালো পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা এখনই আগাম জাতের লিচু বাজারে এনেছেন।

জ্যৈষ্ঠের ফল লিচু বৈশাখের শেষেই বাজারে উঠেছে। মিষ্টি স্বাদের স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত লিচু বিক্রিও হচ্ছে ভালো। তবে স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, আরও ১৫-১৬ দিন লাগবে লিচু পুষ্ট ও স্বাদযুক্ত হতে। কিন্তু অনেকে বেশি দাম পাওয়ার আশায় আগাম লিচু তুলে এনেছেন বাজারে।

সম্প্রতি শহরের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আশপাশের বাগান থেকে বিক্রেতারা লিচু নিয়ে এসেছেন বিক্রির জন্য। গাছ থেকে সদ্য পেড়ে আনা লিচুগুলো রসে ভর্তি। মিষ্টি স্বাদের এসব লিচু ১০০টি বিক্রি হচ্ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়।

আলী মিয়া নামের একজন বিক্রেতা বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে এ উপজেলায় ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে কিছু কিছু বাগানে আগাম লিচু পাকতে শুরু করেছে। বাগান মালিকেরা লিচু নিয়ে বাজারে পাইকারি বিক্রি করছেন।

উপজেলার কামালপুর গ্রামের এক বাগানে গিয়ে দেখা যায়, গাছ থেকে লিচু পাড়ছেন কয়েকজন শ্রমিক। বাগানের মালিক সজিব মিয়া নিজে দাঁড়িয়ে থেকে লিচু পাড়ার তদারকি করছেন। তিনি বলেন, হঠাৎ বৃষ্টিপাত হওয়ায় বাগানের কয়েকটি গাছে লিচু পাকতে শুরু করেছে। আগাম লিচুর বাজারে দামও ভালো পাওয়া যায়। সে কারণে বাগানের দুটি গাছে লিচু পেড়ে বাজারে নেবেন।

প্রতি ১০০টি লিচুতে এক থোকা হয়, যা স্থানীয়ভাবে ‘একপন’ হিসেবে বিক্রি হয়। বাজারে একপন দাম পড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। সজিব মিয়ার বাগানে চায়না-১, চায়না-২, চায়না-৩ ও বোম্বাই জাতের লিচুর চারা লাগিয়েছেন। ২০১৬ সাল থেকে তাঁর বাগানে লিচুর ফলন আসছে। এ বছরে ১২৭টি গাছের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩০-টি গাছে লিচু এসেছে।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
error: © স্বত্ব ঈশ্বরদী নিউজ টুয়েন্টিফোর