ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২৮ অপরাহ্ন

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
আব্দুল মজিদ বাবলু মালিথা। ফাইল ছবি

সম্প্রতি ঈশ্বরদীর স্থানীয় কয়েকটি অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় “সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক আর্থিক অনিয়ম” শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সমাজে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য কুচক্রীমহল সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে এই সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১০ জন ইউপি সদস্যের স্বাক্ষরীত অভিযোগ পত্রের বরাত দিয়ে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে- আমি নাকি ইউপি সদস্যদের সংগে অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছি এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম করেছি। যেমন- ১% অর্থ দ্বারা কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়নি, হোল্ডিং ট্যাক্সের ও ট্রেড লাইসেন্সের টাকা আত্মসাত করেছি ইত্যাদি।

যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ১% টাকা দ্বারা বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। যা প্রতি বছর সরকারের বিশ্বস্ত অডিট ফার্ম দ্বারা যাচাই করা হয়। অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করলে প্রমানিত হবে।

মূলত : গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচন করায় প্রতিপক্ষ প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে এযাবৎ কাল পর্যন্ত নানা ধরনের ষড়যন্ত্রমুলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। আমি আজ অবধি সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করে আসছি। উপজেলা নির্বাচনে আমাকে নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য অনেক চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে, এমনকি সরাসরি প্রাননাশের হুমকিও দেয়া হয়েছে যার অডিও রেকর্ড আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। কিন্তু আমার কাছে নৌকা প্রতীকের বাইরে কোনো ব্যক্তি বড় নয়। নৌকা প্রতীকের বিরোধীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে নানা সময়ে বিভিন্ন রকম মিথ্যা, বানোয়াট কথাবার্তা প্রচার করে আসছে। তদুপরি সকল রোষানল উপেক্ষা করে নৌকার জয় নিশ্চিত করেছি। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে বিদ্রোহীরা আরো বেপরোয়া হয়ে ষড়যন্ত্র করে চলেছে। যেসব মেম্বরগণ ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তারা সবাই নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে নির্বাচন করেছিল।

অভিযোগে ২০১৭/২০১৮ অর্থ বছরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় হতে সাত লক্ষ চুয়াত্তর হাজার টাকা বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। যা দিয়ে মিরকামারী বিশ^রোড থেকে আমার বাড়ি হয়ে সরকারী রাস্তা পর্যন্ত কংক্রিট ঢালাই হবে। অথচ রাস্তা নির্মানে এই ধরনের কোনো বরাদ্দের অস্তিত্ব নেই।

গত ৩ বছরের গৃহ ভবন কর/ট্যাক্সের আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকা। যা দ্বারা উন্নয়নমুলক কাজ করা হয়েছে এবং তা দৃশ্যমান। পাশাপাশি এই আদায়কৃত অর্থ থেকে মেম্বরদের সম্মানী ভাতা প্রদান করা হয়েছে।

ট্রেড লাইসেন্সের খাত থেকে যৎ সামান্য আয় হয় এবং তা দিয়ে আপ্যায়ন ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজ করা হয়েছে।

আমি প্রকাশিত বানোয়াট, মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী:
মোঃ আব্দুল মজিদ বাবলু মালিথা,
চেয়ারম্যান, সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ, ঈশ্বরদী, পাবনা।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
error: © স্বত্ব ঈশ্বরদী নিউজ টুয়েন্টিফোর