ঢাকা বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৪:২৩ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদী বাজার: ঈদ বলে কথা…

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৯
ঈশ্বরদীরএকটি শো রুমে পছন্দের থ্রি পিস বাছাই করছেন ক্রেতারা।

ঘরে ঘরে এখন ডেঙ্গু জ্বরের আতঙ্ক। এরই মধ্যে দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। এক দিন বাদেই অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদুল ফিতরের আগে ঈদের কেনাকাটা ঘিরে ঈশ্বরদীবাসীর মধ্যে যে ব্যস্ততা দেখা যায় এ ঈদে তেমনটা অবশ্য দেখা যায় না। এ ঈদে পুরুষদের মূল ব্যস্ততা থাকে কোরবানির পশুকে ঘিরে। আর নারীদের ব্যস্ততা রেফ্রিজারেটর, ডিপ ফ্রিজ ও ব্লেন্ডার ইত্যাদি ইলেকট্রনিক্স পণ্য নিয়ে।

যদিও ঈশ্বরদীর কাঁচাবাজারগুলোতে মসলা সামগ্রীর দোকান এবং ছুরি-বঁটির দোকানে মানুষের ভিড় কিছুটা দেখা যাচ্ছে। ঈদে নতুন পোশাক কেনার ব্যাপারে শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে আগ্রহও দেখা যাচ্ছে। ঈদ বলে ঈশ্বরদীর বিভিন্ন বিপণিবিতানেও আনা হয়েছে নতুন ঈদ কালেকশন।

ঈদে ঈশ্বরদীবাসীর কেনাকাটার সবচেয়ে বেশি ক্রেতার সমাগম হয় শহরের জাকের সুপার মার্কেট, পৌর সুপার মার্কেট, বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেট, গোপাল সুপার মার্কেট ও মনির প্লাজা মার্কেটে।

শনিবার (১০ আগস্ট) ঈদ বাজারে কেনাকাটার আমেজ পাওয়া যায় এ শপিং মার্কেটে। দোকানগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় না থাকলেও সাধারণ দিনের চেয়ে ভিড় ছিল কিছুটা বেশি। দোকানিরা জানান, রোজার ঈদের মতো জমজমাট বেচাবিক্রি না হলেও কোরবানির ঈদেও ক্রেতারা কেনাকাটা করেন।

এদিকে সাধারণ সময়ের তুলনায় শনিবার ভিড় একটু বেশিই ছিল। ঈদে যারা গ্রামের বাড়ি যাবেন তাদের অনেকেই ঈদের কেনাকাটা সারতে এসেছিলেন। এখানকান জাকের সুপার মার্কেটে একসঙ্গে জামা, জুতা, ব্যাগ, শাড়ি, পাঞ্জাবি ও কসমেটিক্সের বিশাল সংগ্রহ। পাকশী থেকে তানভীন-হাসান দম্পতি এসেছিলেন ঈদ শপিং করতে। গত রোজার ঈদের পরেই বিয়ে হয় এ দম্পতির। নিজেদের ঈদের জামাকাপড় ছাড়াও তারা শ্বশুর-শাশুড়ি ও আত্মীয়-স্বজনদের জন্য ঈদের উপহার কিনছিলেন। তানভীন বলেন, ‘শ্বশুরবাড়িতে প্রথম ঈদ। স্বাভাবিকভাবেই আত্মীয়দের ঈদ উপহার দিতে হবে।

বিপণিবিতান ছাড়াও ঈদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে ঈদ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। নারী উদ্যোক্তারা নিজেদের তৈরি করা শাড়ি, বিছানার চাদর, থ্রি-পিস, ব্যাগ, গহনা ইত্যাদির পসরা এসব ঈদ মেলায় প্রদর্শন করছেন।

শহরের শেরশাহ রোডের বাসিন্দা হোসনে আরা দুপুরে দুই সন্তানের ঈদের পোশাক কিনতে এসেছিলেন। কথা হলে হোসনে আরা বলেন, কোরবানির ঈদে শুধু সন্তানদের জন্যই কেনাকাটা করি। মুচকি হেসে আরও বলেন, ‘ছোটদের নতুন পোশাক কিনে না দিলে তো  হয়তো অভিমান করবে।’

বাজারের বিক্রয়কর্মীরা জানান, আবহাওয়ার কারণে ক্রেতার ঝোঁক এবার সুতির আরামদায়ক পোশাকের দিকে। তারা আরও জানান, ক্রেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকই তরুণ-তরুণী।

রং বাংলাদেশের শো-রুমে গিয়ে দেখা যায়, ছোট শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী ক্রেতার জন্য তৈরি করা ঈদ কালেকশনের পোশাকগুলো থরে থরে সাজানো।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
error: © স্বত্ব ঈশ্বরদী নিউজ টুয়েন্টিফোর