ঢাকা শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন

ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা, দণ্ডপ্রাপ্ত আরও ১ জনের আত্মসমর্পণ

বার্তাকক্ষ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৯
প্রতীকী ছবি

ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা মামলার রায়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আরও ১ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন আসামি। আদালতের বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আত্মসমর্পণকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন, শহরের রহিমপুর এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে লাইজু। এ নিয়ে ৫২ আসামির মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত মোট ৪৪ জনকে জেলহাজতে পাঠানো হলো। এখনো পলাতক তিনজন। বিভিন্ন সময় মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।

আত্মসমর্পণের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আখতারুজ্জামান মুক্তা বলেন, আত্মসমর্পণের পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত এক মাসের মধ্যে এ আসামী উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মাসুদ খন্দকার বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতের আত্মসমর্পণ করেছেন। আসামির পক্ষে খুব শিগগির উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উত্তরাঞ্চলে দলীয় কর্মসূচিতে ট্রেনবহর নিয়ে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ট্রেনটি ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে প্রবেশের সময় ট্রেনবহরকে লক্ষ্য করে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা অতর্কিতে হামলা চালান। ১৯৯৭ সালের ৩ এপ্রিল পুলিশ ঈশ্বরদীর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীসহ ৫২ জনের নামে আদালতে আবার অভিযোগপত্র জমা দেয়।

গত ১ জুলাই আদালতে আসামিদের সাফাই সাক্ষী উপস্থাপনের নির্ধারিত দিন ছিল। এ দিন ৩০ জন আসামি কোনো সাক্ষী উপস্থাপন না করে আদালতে জামিন আবেদন ও সময় প্রার্থনা করেন। আদালত তাঁদের প্রার্থনা নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর ৩ জুলাই আদালত মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনকে যাবজ্জীবন ও ১৩ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

শেয়ার করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩ - ২০২১
 
themebaishwardin3435666
error: © স্বত্ব ঈশ্বরদী নিউজ টুয়েন্টিফোর